হ্যাপিনেস প্রোগ্রাম
বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী শ্বাস প্রক্রিয়া সুদর্শন ক্রিয়াকে সারা পৃথিবীর ৪৫ লক্ষ মানুষ ভালবেসে অভ্যাস করে চলেছে। আপনিও শিখে নিন।
মানসিক চাপ দূর করে • পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি ঘটায় • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
*আপনার অনুদান নানাবিধ সামাজিক প্রকল্পকে সাহায্য করে
রেজিস্টার করুনএই কার্যক্রম থেকে আমি কি পাব?
মনের শান্তি বৃদ্ধি করে
মন শান্ত করার পদ্ধতিকে আবিষ্কার করে আপনার দৈনন্দিন জীবনে আরো শান্তি ও আনন্দকে নিয়ে আসুন।
অধিক শক্তি
ক্লান্তিকে জয় করার সঙ্গে অধিক মাত্রায় শক্তির সঞ্চার অনুভূত হয়। আপনি আপনার দিনের যে কাজগুলি স্থির করে রেখেছেন সবটাই সম্পন্ন করতে পারবেন।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ থেকে মুক্তি দেয়
এই গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতির মাধ্যমে শিখে নিন বিবিধ প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে কিভাবে মানসিক চাপ ও আশঙ্কা মুক্ত হয়ে আরামে থাকা যায়।
মনকে আয়ত্তে আনতে পারা
আধুনিক জীবন যাপনের উত্থান পতনের সাথে মোকাবেলা করার কিছু প্রাচীন গূঢ় রহস্য এই কার্যক্রমে শেখানো হয়। অধিক সতর্কতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে জীবন যাপন করতে শিখুন।
জীবন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা
সুদর্শন ক্রিয়া সম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে ?
বিশ্বজুড়ে একশোটির অধিক গবেষণা পিয়ার রিভিউড জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এর উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে, যেমন:
▴ 37%
4 সপ্তাহে বেড়ে যায়
মন শান্ত হওয়া
▴ 23%
6 সপ্তাহে কমে যায়
মানসিক উদ্বেগ কমায়
▴ 25%
4 সপ্তাহে বেড়ে যায়
সামাজিক যোগসূত্র
জীবন পরিবর্তন
সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল যা আপনার উদ্বেগ 44% কমাতে পারে।
সুদর্শন ক্রিয়া শরীরের মধ্যে সামঞ্জস্য আনতে সাহায্য করে।
প্রতিষ্ঠাতা
গুরুদেব শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর
গুরুদেব শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর একজন বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী, আধ্যাত্মিক নেতা এবং শান্তির দূত। তিনি চাপমুক্ত, হিংসামুক্ত সমাজের জন্য এক অভূতপূর্ব বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আমি অংশ গ্রহণ করতে চাই কিন্তু…
এই প্রক্রিয়ার কি কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে?
সর্বক্ষণ আপনার মুখে হাসি, এর একমাত্র পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন সুদর্শন ক্রিয়া অভ্যাসের দ্বারা, প্রমাণিত স্বাস্থ্যের উপকারিতা লাভ করছেন।
আমাদের এই বিশেষ পদ্ধতির অভ্যাস করা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনার যদি হাঁপানি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, পিঠে ব্যথা ইত্যাদি যে কোন শারীরিক অসুবিধে থাকে, তাহলে আমরা এই অধিবেশন চলাকালীন আপনাকে পৃথকভাবে সে ব্যাপারে সাহায্য করবো।
এটির অভ্যাসে আমার স্বাস্থ্যের কি উন্নতি হবে?
আপনারা কেন অর্থ গ্রহণ করেন?
প্রথম কারণ, আপনার এই প্রশিক্ষণকে সময় দেবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য।
দ্বিতীয় কারণ-এছাড়া প্রয়োজনীয় জীবনশৈলী সম্বন্ধে আপনাকে শিক্ষা দেওয়া ছাড়াও, আপনার অনুদানে ভারতের বিভিন্ন সেবা প্রকল্প উপকৃত হবে । উদাহরণ স্বরূপ - ১,২০,০০০ আদিবাসী শিশুদের বিদ্যালয়ের খরচা, ৭৫ টি নদীর পুনরুদ্ধার, ৪,৭৫,০০০ গ্রামীণ যুবকদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রশিক্ষিত করা এবং ৮০০+ গ্রামে সৌর আলো জ্বালানোর প্রকল্প।
আমার কোনো মানসিক চাপ নেই তবু কেন আমি এই কর্মশালায় যোগ দেবো?
এটি খুব ভাল কথা যে আপনার কোন মানসিক চাপ নেই ! আপনি উন্নত জীবন যাপন করছেন, কিন্তু আপনি ভাবুন যখন আপনার অর্থ সংকট ঘটবে সেই সময় কি আপনি অর্থ সঞ্চয়ের কথা চিন্তা করবেন? নিশ্চয়ই নয়। সুতরাং আপনার প্রয়োজনের আগেই যদি আপনার সুস্থতা বৃদ্ধি হয়, তাহলে কেমন হয়? এইটি সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করছে । আপনি মানসিক অবসাদগ্রস্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও পারেন, যদিও এই প্রশিক্ষণ তখনো আপনাকে সাহায্য করার জন্য পাশে থাকবে।