হ্যাপিনেস প্রোগ্রাম ফর ইয়ুথ
সুখের রহস্য আপনার শ্বাসের মধ্যেই নিহিত
বয়স সীমা - 22 থেকে 35 বছর
*আপনার অনুদান নানাবিধ সামাজিক প্রকল্পকে সাহায্য করে
রেজিস্টার করুনএই কার্যক্রম থেকে আমি কি পাবো?
মনের শান্তি বৃদ্ধি পায়
দৈনন্দিন জীবনে আপনার মনকে শান্ত রাখার জন্য এবং অধিক শান্তি ও আনন্দ প্রাপ্তির জন্য আপনি এই কার্যকরী প্রক্রিয়াকে আবিষ্কার করুন।
অধিক শক্তি যোগায়
ক্লান্তিকে দূর করে এবং অধিক শক্তি অনুভূত হয়। আপনার একটি দিনের নির্ধারিত সব কাজগুলোকে আপনি সফলতার সাথে সম্পন্ন করতে পারবেন।
মানসিক চাপ ও উৎকন্ঠা দূর করে
গবেষণাভিত্তিক এই প্রক্রিয়াগুলির মাধ্যমে কিভাবে মানসিক চাপ হ্রাস করা যায়, উৎকন্ঠা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পরিস্থিতির মধ্যেও চাপ মুক্ত থাকা যায়, তা আপনি শিখতে পারবেন।
মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম
প্রাচীন রহস্যের মাধ্যমে আধুনিক জীবনধারার উত্থান পতনের সঙ্গে কিভাবে মোকাবেলা করা যায় এই কর্মসূচিতে তা শেখানো হয়।
কিভাবে এটি কাজ করে?
হ্যাপিনেস প্রোগ্রামের মৌলিক বিষয় হচ্ছে সুদর্শন ক্রিয়া, যা একটি অনন্য প্রক্রিয়া। এই শ্বাস প্রক্রিয়াটিতে একটি বিশেষ স্বাভাবিক শ্বাসের ছন্দকে সংযোজিত করা হয়েছে যেটি দেহ,মন এবং আবেগের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করে। এটি মানসিক ক্লান্তি, নেতিবাচক মনোভাব-যেমন ক্রোধ, হতাশা, বিষণ্ণতা ইত্যাদি থেকে মুক্ত করে আপনাকে শান্ত করে, মনোযোগী করে, শক্তি জোগায়, সক্রিয়তা ও স্বস্তি প্রদান করে।
এই কর্মসূচিতে কি কি সংযোজিত হয়েছে?
- সুদর্শন ক্রিয়াTM
- আধুনিক জীবনের কঠিন পরিস্থিতিকে সামলানোর জন্য প্রাচীন জ্ঞান
- শক্তির গূঢ় রহস্য
জীবন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা
প্রতিষ্ঠাতা
গুরুদেব শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর
আমি অংশ গ্রহণ করতে চাই কিন্তু...
এই প্রক্রিয়ার কি কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে?
সর্বক্ষণ আপনার মুখে হাসি এর একমাত্র পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 🙂। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন সুদর্শন ক্রিয়ার অভ্যাসের দ্বারা স্বাস্থ্যের প্রমাণিত উপকারিতা লাভ করেছেন।
আমাদের এই প্রক্রিয়ার অভ্যাস করা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনার যদি হাঁপানি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, পিঠে ব্যথা ইত্যাদি যে কোন শারীরিক অসুবিধা থাকে, তাহলে, এই অধিবেশন চলাকালীন আমরা আপনাকে পৃথক ভাবে সাহায্য করবো।
এটির অভ্যাসে আমার স্বাস্থ্যের কি উন্নতি হবে?
প্রতিদিনের সুদর্শন ক্রিয়ার অভ্যাস নিশ্চিতভাবে আপনার ঘুম বৃদ্ধি করবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে, মানসিক চাপ ও অবসাদের মাত্রা হ্রাস করবে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে যারা উপকৃত হয়েছেন আপনি তাদের প্রামাণিক লেখাগুলি পাঠ করুন। আপনার শিক্ষক অথবা শিক্ষিকাকে আগেই আপনার শরীরসম্বন্ধীয় অসুবিধাগুলি অবশ্যই জানাবেন, তিনি সর্বোচ্চ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন।
আপনারা কেন অর্থ গ্রহণ করেন?
প্রথম কারণ, আপনার এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সময় দেবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধতাকে নিশ্চিত করার জন্য। দ্বিতীয় কারণ, আপনার জীবনে অপরিহার্য ইতিবাচক প্রশিক্ষণ দেওয়া ছাড়াও, আপনার অনুদানে ভারতের বিভিন্ন সেবা প্রকল্প উপকৃত হবে, উদাহরণ স্বরূপ - ১,২০,০০০ আদিবাসী শিশুদের বিদ্যালয়ের খরচা, ৭৫টি নদীর পুনরুদ্ধার, ৪,৭৫,০০০ গ্রামীণ যুবকদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রশিক্ষিত করা এবং ৮০০+টি গ্রামে সৌর আলো জ্বালানোর প্রকল্প।
আমার কোন মানসিক চাপ নেই তবু কেন আমি এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেব?
এটি খুব ভাল কথা যে আপনার কোন মানসিক চাপ নেই! আপনি খুব ভালো ভাবে জীবন যাপন করছেন। কিন্তু চিন্তা করুন আপনার যখন অর্থাভাব হবে তখন কি অর্থসঞ্চয়ের কথা আপনি ভাববেন? অথবা যখন শারীরিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করবেন, তখন কি যোগাভ্যাস শুরু হবে আপনার? না, সেটা নিশ্চয়ই নয়। সুতরাং আপনার প্রয়োজনের আগেই যদি আপনার শারীরিক শক্তিকে সুরক্ষিত করে রাখেন, তাহলে কেমন হয়? কিন্তু এটি সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করছে। আপনি মানসিক অবসাদগ্রস্ত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন, এবং এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তখনো আপনাকে সাহায্য করার জন্য পাশে থাকবে।