banner-sports-excellence-group of girls won prize-meditation

স্পোর্টস এক্সেলেন্স প্রোগ্রাম (SEP)

খেলাধুলায় উৎকর্ষতা ত্বরান্বিত করার জন্য

8 বছর ও তার বেশি বয়সীদের জন্য অনলাইন প্রোগ্রামও উপলব্ধ

খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণা জোগায়, দলকে রূপান্তরিত করে

রেজিস্টার করুন

এই ওয়ার্কশপ থেকে আমি কী পাব?

icon

খেলার মাঠে ও মাঠের বাইরে ব্যক্তিগত উৎকর্ষতা অর্জন

icon

অন্তর্নিহিত শক্তি ও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা

icon

মানসিক ও আবেগজনিত স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি

icon

সহনশীলতা ও সংযম গড়ে তোলা

icon

প্রতিযোগিতায় কর্মদক্ষতার চাপ মোকাবিলা করা

icon

মনোযোগ ও একাগ্রতা উন্নত করা

icon

সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি

icon

আঘাত থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা

icon

দলগত কাজের দক্ষতা উন্নত করা

icon

শারীরিক সহনশক্তি বৃদ্ধি

আর্ট অফ লিভিং-এর স্পোর্টস কাউন্সি cক্রীড়াবিদদের জন্য স্পোর্টস প্রোগ্রাম পরিকল্পনা করে। এই প্রোগ্রামগুলিতে মানসিক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নত শারীরিক শিক্ষার কৌশল শেখানো হয়। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত উন্নয়নের প্রক্রিয়া, খেলাধুলার আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী শ্বাস-প্রশ্বাসের পদ্ধতিও শিক্ষা দেওয়া হয়, যা খেলোয়াড়দের মাঠে ও মাঠের বাইরে উৎকর্ষতা বাড়াতে অনুপ্রেরণা দেয়।

এই প্রোগ্রাম অংশগ্রহণকারীদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচন করে বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে যার ফলে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়, পারদর্শিতা ও ফলপ্রসূতা বাড়ে ,কাজের দক্ষতা উন্নত হয় ,দলগত বন্ধন আরো মজবুত হয়।

ভারতে খেলাধুলাকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে স্পোর্টস কাউন্সিল বাছাই করা সেরা ও তৃণমূল স্তরের খেলোয়াড়দের জন্য প্রোগ্রাম পরিচালনা করে,আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সম্মেলন আয়োজন করে, খেলাধুলার উন্নয়ন ও বিকাশ নিয়ে মতবিনিময় করে। এছাড়া এই স্পোর্টস কাউন্সিল আর্ট অফ লিভিং এর বিশ্বব্যাপী পরিবারের মধ্যে প্রযুক্তিগত দক্ষতার আদান প্রদান করে খেলোয়াড়দের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিশোরদের জন্য আর্ট অফ লিভিং প্রোগ্রামের উপকারিতা

50%

ঘুমের মানে উন্নতি

21%

ফুসফুসের ক্ষমতায় বৃদ্ধি

37%

ভালো কোলেস্টেরলে উন্নতি

84%

মস্তিষ্কে আলফা ওয়েভে বৃদ্ধি

16.5%

রক্তচাপে হ্রাস

13.4%

হৃদস্পন্দনে হ্রাস

প্রতিষ্ঠাতা

গুরুদেব শ্রী শ্রী রবি শঙ্কর

গুরুদেব শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর একজন বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী, আধ্যাত্মিক নেতা এবং শান্তির দূত। তিনি চাপমুক্ত, হিংসামুক্ত সমাজের জন্য এক অভূতপূর্ব বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

আরও জানুন

সুদর্শন ক্রিয়া নিয়ে গবেষণা

শ্রী শ্রী ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ (SSIAR) দ্বারা সংগৃহীত গবেষণা:

33%

6 সপ্তাহে বেড়ে যায়

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

57%

6 সপ্তাহে কমে যায়

চাপজনিত হরমোন

41%

4 সপ্তাহে কমে যায়

চিকিৎসাসংক্রান্ত উদ্বেগ

21%

1 সপ্তাহে বেড়ে যায়

জীবনে সন্তুষ্টি

আমি এই কোর্সটি নিতে চাই, কিন্তু…

সুদর্শন ক্রিয়া™ কী?

সুদর্শন ক্রিয়া™ একটি শক্তিশালী কিন্তু সহজ ছন্দোবদ্ধ শ্বাস-প্রশ্বাসের পদ্ধতি। এতে শ্বাসের প্রাকৃতিক ছন্দ ব্যবহার করা হয়, যা শরীর, মন ও আবেগের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় তৈরি করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল শরীর ও মনের ওপর কী প্রভাব ফেলে?

সুদর্শন ক্রিয়া™-র মতো শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ায় এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তসঞ্চালন ব্যবস্থার কার্যক্ষমতা উন্নত করে, যা খেলাধুলার সময় কর্মদক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।
এগুলি শরীরে রক্তের ল্যাকটেট মাত্রা কমায়, ফলে চাপ সহ্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়। এর মাধ্যমে খেলাধুলার নানা চ্যালেঞ্জ সহজে মোকাবিলা করা যায় এবং কর্মদক্ষতা আরও উন্নত হয়।

সুদর্শন ক্রিয়া™-র অন্তরালের বিজ্ঞান কী?

সুদর্শন ক্রিয়া™ আমাদের প্রাণশক্তি বা ‘প্রাণা’ - যা জীবনের সূক্ষ্ম শক্তির উৎস—তাকে নিয়ন্ত্রণ ও সুষম করে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এটি শরীরের বহু জৈবিক ছন্দকে সক্রিয় ও সঙ্গতিপূর্ণ করে তোলে, যেমন—মস্তিষ্কের ছন্দ, হৃদস্পন্দন ও এনজাইমের ছন্দ, মানসিক ও আবেগগত ছন্দ।

সুদর্শন ক্রিয়া™ কি ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ায়?

সুদর্শন ক্রিয়া™-তে বিভিন্ন গতিতে শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া হয়, যার ফলে ‘ডায়াফ্রাম’ ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়। গভীর শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার মাধ্যমে শুধু শ্বাস-প্রশ্বাসই নিয়ন্ত্রিত হয় না, বরং ফুসফুসের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।এর ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের প্রবাহ বাড়ে এবং মনোসংযোগ করার ক্ষমতা উন্নত হয়।

সুদর্শন ক্রিয়া™ কি কর্মক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে?

বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে সুদর্শন ক্রিয়া™ মস্তিষ্কের কার্যকলাপে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে—স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়, মনোযোগের সময়কাল বাড়ে, আবেগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মানসিক সক্ষমতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্তর উন্নত হয়।

ক্রীড়াবিদদের জন্য ধ্যান কেন উপকারী?

খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় তীব্রতা যত বেশি, শরীর ও মনের ওপর চাপও তত বেশি পড়ে। ধ্যান এই শারীরিক অনুশীলন বা খেলাধুলার সময় তৈরী হওয়া মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনে ক্রীড়াবিদরা আরও ভালোভাবে মনোযোগ দিতে পারেন এবং খেলার সময় প্রয়োজনীয় একাগ্রতা বজায় রেখে পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারেন।

    Contact us
    *
    *
    *