আপনি কি কখনও ভেবেছেন, কোন খাবারগুলো সত্যিই আপনাকে সারাদিন এবং রাতের কিছুটা সময় পর্যন্ত শক্তি ও সহনশীলতা জোগায়? ২৪ ঘণ্টা ধরে সপ্তাহের ৭ দিন, আর এভাবে বছরের ৩৬৫ দিন? সত্যি বলতে, আমাদের অনেকেই সারাদিন ক্লান্ত, অবসন্ন এবং দুর্বল বোধ করি। তাই যদি এমন কোনো জাদুকরী পানীয় থাকত যা আমাদের সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে শক্তি জোগাতে পারত, তবে সেটি অবশ্যই হতো “এনার্জি টনিক ”।
যদি আপনার শক্তির অভাব থাকে, তবে সম্ভবত আপনি আপনার ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ জীবনে কি খাচ্ছেন সেদিকে যথেষ্ট মনোযোগ দেননি। এর ফলে এমন একটি অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা তৈরি হয়েছে যা আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মকে সমর্থন করে না। তাই এখন সময় এসেছে সচেতনভাবে খাবার নির্বাচন করার, যাতে আপনার শরীর সঠিকভাবে জ্বালানি পায়।
কারা বেশি শক্তির প্রয়োজন অনুভব করেন?
শুধু কঠোর শারীরিক পরিশ্রমকারী মানুষ, এ্যাথলিট এবং বিভিন্ন খেলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরই বেশি শক্তি ও সহনশীলতার প্রয়োজন হয় না। কঠোর দৈনন্দিন দায়িত্বে ব্যস্ত গৃহিণী, পড়াশোনার চাপ সামলানো শিক্ষার্থী এবং দীর্ঘ সময় মানসিক পরিশ্রম করতে হয় এমন পেশাজীবীদেরও খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দিতে হয়, যাতে তাদের শক্তির মাত্রা উঁচু থাকে।
আমাদের কি এমন কিছু খাবার আছে যা অন্য খাবারের তুলনায় বেশি শক্তি দেয়? এই বিশেষ শক্তিবর্ধক খাবারগুলো কি? আপনার প্রকৃতি (Prakruti) বা শারীরিক গঠনের জন্য কি আলাদা খাদ্যতালিকার প্রয়োজন? যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে সেগুলো কি? এই প্রবন্ধে আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, যাতে আপনি নতুন উদ্যম ও শক্তি নিয়ে আপনার সব কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
শক্তি ও সহনশীলতার মাত্রা বাড়াতে পারে এমন ১০টি খাবার
1. কলা (Banana) – বিরতির সময় খেলোয়াড়দের কলাতে কয়েকটা কামড় দিতে নিশ্চয়ই আপনি দেখেছেন। তাই শক্তির উৎস হিসেবে কলার বিশেষ পরিচয়ের প্রয়োজন নেই।কলা হলো জটিল শর্করা (Complex Carbohydrates), পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬-এর সমৃদ্ধ উৎস। এই উপাদানগুলো শরীরের শক্তির মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সহনশক্তি গড়ে তুলতে জটিল শর্করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও কলায় রয়েছে ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী, বিশেষ করে কোভিড-পরবর্তী সময়ে।
দ্রষ্টব্য: আপনার যদি সর্দি বা কাশি থাকে, তাহলে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
2. ব্রাউন রাইস – ব্রাউন রাইস জটিল শর্করার আর একটি উৎকৃষ্ট উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স রয়েছে। সাদা চালের তুলনায় এতে স্টার্চ কম থাকে, ফলে এটি সহজে হজম হয়। একই সঙ্গে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং সারাদিন শরীরে শক্তি জোগায়।
3. ডাল – ডাল হলো প্রোটিন, আয়রন , ম্যাঙ্গানিজ এবং ফোলেটের চমৎকার উৎস, যা ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের কোষগুলোকে খাদ্য থেকে শক্তি আহরণে সহায়তা করে। বিশেষ করে মুগ ডাল প্রতিদিন খাওয়ার জন্য নিরাপদ এবং উপকারী।
4. বীটরুটের রস – খেলোয়াড়দের কাছে আপেল, বীটরুট ও গাজরের(carrot) রস ( ABC পানীয়) খুবই পরিচিত। বীটরুটের রসে রয়েছে আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান, যা ব্যস্ত দিনের জন্য শরীরকে প্রস্তুত রাখে। এই শক্তিবর্ধক পানীয় শরীরে শক্তি যোগায় এবং একই সঙ্গে আপনাকে সারাদিন সতেজ ও হালকা অনুভব করতে সাহায্য করে।
শক্তি ও সহনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান
- জটিল শর্করা
- ফাইবার
- আয়রন
- ভিটামিন সি
5. আমলকীর রস – আমলকীর রস ভিটামিন সি-এর একটি অসাধারণ উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে। সকালে এই শরীর-পরিশোধক (detoxifying) পানীয় পান করলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং শরীরে নতুন উদ্যম ও শক্তি আসে। ধ্যানচর্চাকারীদের খাদ্যতালিকাতেও আমলকী একটি ভালো সংযোজন।

6. মিষ্টি আলু – আপনি যদি দিনের জন্য অতিরিক্ত শক্তির উৎস খুঁজে থাকেন, তাহলে মিষ্টি আলু একটি দারুণ বিকল্প। এতে রয়েছে জটিল শর্করা, ফাইবার , ম্যাঙ্গানিজ এবং ভিটামিন এ-র সমৃদ্ধ সংমিশ্রণ, যা এটিকে খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তোলে।মিষ্টি আলুতে থাকা শর্করা শরীরে ধীরে ধীরে পরিপাক হয় এবং সারাদিন ধরে শক্তি জোগায়, ফলে আপনি দিনভর সক্রিয় থাকেন।
7. ফলমূল –
- আপেলে প্রচুর প্রাকৃতিক শর্করা ও ফাইবার রয়েছে। এছাড়া আপেলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে পুষ্টি উপাদানগুলোকে ধীরে ধীরে ভাঙতে সাহায্য করে, ফলে শক্তি ধীরে কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে । এর ফলে আপনি সারাদিন শক্তি ও কর্মোদ্যম অনুভব করেন।
- বেদানাও শক্তিবর্ধক ফলের মধ্যে অন্যতম। এর অধিকাংশ পুষ্টিগুণ কার্বোহাইড্রেট থেকে আসে, যা শরীরে শক্তি জোগায়। পাশাপাশি এটি হৃদ্যন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে।

- বেল ফলে প্রোটিন, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন সি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি গ্রীষ্মকালের একটি আদর্শ পানীয়, যা শরীরকে শীতল রাখে এবং শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করে।
8. ভেষজ ও মশলা – অশ্বগন্ধা, জিনসেং এবং ব্রাহ্মীর মতো ভেষজ উদ্ভিদে শক্তিবর্ধক গুণ রয়েছে। এগুলো মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি ও সচেতনতা উন্নত করে। এছাড়াও এগুলো ক্লান্তি ও অবসাদ কমায়, মনকে শান্ত করে এবং মানসিক চাপ হ্রাস করে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
9. কিনোয়া (Quinoa) – শক্তি বৃদ্ধির জন্য উচ্চমাত্রার প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড-সমৃদ্ধ কিনোয়া একটি আদর্শ খাদ্য। এটি শরীরে ধীরে ধীরে হজম হয়, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহ করে এবং সহনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে কিনোয়া বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার অঞ্চলে এটি পাওয়া যায় কিনা তা বিবেচনা করা ভালো।

10. বাদাম ও শুকনো ফল (Nuts and Dry Fruits) – শক্তিবর্ধক খাদ্যতালিকায় বাদাম ও শুকনো ফল একটি চমৎকার সংযোজন। বাদামে রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যা আপনাকে সুস্থ, সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। খেজুর, ডুমুর, তিসি বীজ (Flax Seeds), কুমড়োর বীজ (pumpkin seeds) এবং তিল ( sesame seeds) শরীরের শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক।

দ্রষ্টব্য:
- আপনার এলাকায় যদি মিলেটজাত শস্য ( millet) উৎপন্ন হয়, তবে তা খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এটি উপবাস বা পরিশোধনজনিত (detox) খাদ্যতালিকারও অংশ হতে পারে।
- যদি আপনার শরীরের প্রকৃতি (Prakruti) বা গঠন কফ (Kapha)-প্রধান হয়, তবে মাঝে মাঝে ওটমিল (Oatmeal) খেতে পারেন। এটি এমন একটি কার্বোহাইড্রেট-সমৃদ্ধ খাবার, যা দিয়ে দ্রুত এবং পেটভরা সকালের প্রাতরাশ তৈরি করা যায়।ওটমিল দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং সারাদিন শক্তি জোগায়। এটি গ্লুটেন-মুক্ত গোটা শস্য (Whole Grain) এবং এতে রয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
আপনি যে খাবার খান সে সম্পর্কে গুরুদেব শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের জ্ঞানসমৃদ্ধ বাণী
- প্রতিদিন আপনার শরীরে যে খাবার প্রবেশ করছে, সে সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিন।
- আপনার প্লেটের খাবারকে সম্মান করুন—যেমন আপনি নিজের জীবনকে সম্মান করেন। কারণ এই খাবারই আপনাকে কাজ করার শক্তি দেয়। এটি আমাদের জীবনের অন্যতম মৌলিক শিক্ষা। মনে রাখবেন, আপনার খাবারই আপনার জীবন।
- এমন খাবার খান যা আপনাকে প্রাণবন্ত ও সজীব অনুভব করায়। যদি কোনো খাবার খাওয়ার পরে আপনি অবসন্ন বা ভারী বোধ করেন, তবে সেটি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়। আপনার শরীর নিজেই আপনাকে সেই বার্তা দিচ্ছে।
পরামর্শ: গরমের সময় ভেষজ চা এবং হালকা পানীয়, যেমন পাতিলেবুর শরবত, শরীরকে শীতল রাখতে সাহায্য করে এবং আপনাকে সতেজ ও উদ্যমী অনুভব করায়।
কখন শক্তিবর্ধক খাবার খাওয়া উচিত?
উপরে উল্লিখিত অধিকাংশ শক্তিবর্ধক খাবারই জটিল শর্করা (Complex Carbohydrates)-সমৃদ্ধ। এগুলো অপেক্ষাকৃত ভারী খাবার এবং হজম হতে কিছুটা সময় নেয়।তাই এগুলো সকালে খাওয়া ভালো, যাতে সারাদিন শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায়। দিনের সক্রিয় সময়ে এগুলো হজম করারও যথেষ্ট সময় থাকে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত
- কিছু খাবার ও পানীয় দ্রুত শক্তি দেয়, যেমন ক্যাফেইনযুক্ত খাবার ও পানীয়—কফি, চা এবং কিছু এনার্জি ড্রিঙ্ক। তবে এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলোর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।
- এছাড়াও অতিরিক্ত তেলে ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। যদিও ফ্যাট শক্তির উৎস, তবুও এসব খাবার আপনাকে অলস, ভারী ও ক্লান্ত অনুভব করাতে পারে।
- সাদা চিনি ( refined sugar) এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার উচ্চ শক্তির প্রতিশ্রুতি দিলেও, সেগুলোর পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু বিকল্প বেছে নেওয়াই উত্তম।
শক্তি বাড়ানোর জন্য আর কী করা যেতে পারে?
- দিনের প্রথম ভাগে ভারী খাবার খান।
- নির্দিষ্ট বিরতিতে অল্প অল্প করে খাবার গ্রহণ করুন।
- পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন।
- রাতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
বিভিন্ন প্রকৃতির (Constitution) জন্য শক্তিবর্ধক খাদ্যতালিকা
সঠিক খাদ্য নির্বাচন মানে হলো আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক প্রকৃতি (Prakruti) এবং খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা গড়ে তোলা। যখন আপনি নিজের শরীরের প্রতি মনোযোগ দেবেন, তখন নিজেকে আরও সুস্থ, কর্মক্ষম, উদ্যমী এবং দীর্ঘ সময় কাজ করার উপযোগী বলে অনুভব করবেন। আর সঠিক খাবার নির্বাচন করলে আপনি অপ্রয়োজনীয় বিশেষ খাবারের প্রতি আসক্তি বা অনীহা ছাড়া সহজেই সেই খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে পারবেন। আপনার খাদ্য পরিকল্পনা সহজ করার জন্য নিচে একটি খাদ্যতালিকা দেওয়া হলো:
| প্রকৃতি/শারীরিক গঠন ও ভারসাম্য রক্ষাকারী স্বাদ | বাত – মিষ্টি, টক ও লবণাক্ত | কফ – তেতো, ঝাঁঝালো ও কষায় | পিত্ত – তেতো, কষায় ও মিষ্টি |
| শক্তি ও সহনশক্তি বাড়ায় এমন খাবার | মিষ্টি আলু , ব্রাউন রাইস ও বিভিন্ন মশলা | সবুজ গোটা মুগ , আপেল, ফুলকপি , শুঁটি ও ডালজাতীয় শস্য | কিনোয়া, বিভিন্ন মশলা |
| সকালের খাবার | ব্রাউন রাইস , চিঁড়ে, রাগি ও পাকাকলা দিয়ে তৈরি প্যানকেক, ইডলি | মুগ ডালের দোসা | নারকেলের দুধ দিয়ে তৈরি রাগি কানজি, ইডলি |
| দুপুরের খাবার | ভুট্টার আটার রুটি ও সরষেশাক/ মিষ্টি আলুর তরকারি, দালিয়া , রেড রাইস | অঙ্কুরিত মুগ ,মিলেট ও ডালের খিচুড়ি, বাটারমিল্ক | কাওনের চালের দালিয়া, খিচুড়ি, সাবুদানা, কন্দজাতীয় সবজি, মিষ্টি আলুর তরকারি |
| রাতের খাবার | বাটারনাট স্কোয়াশ স্যুপ, কুমড়োর তরকারি, ব্রাউন রাইস ও ডালের খিচুড়ি | মিশ্র সবজির স্যুপ, বাজরার রুটি সহকারে শাকসবজি ও লাউ | কুমড়ো, ভেষজ ও মশলা দিয়ে তৈরি স্যুপ, লেমনগ্রাস রাইস সহযোগে গ্রিন কারি |
| রেসিপি | বাত-প্রশমক রেসিপি | কফ-প্রশমক রেসিপি | পিত্ত-প্রশমক রেসিপি |
আয়ুর্বেদ প্রতিটি মানুষের শরীর ও তার বিশেষ প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেয়। তাই আপনার শরীরের প্রকৃত চাহিদা নির্ধারণের জন্য একজন আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সর্বোত্তম।
আপনার শক্তিবর্ধক খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে শক্তিবর্ধক কার্যকলাপ, যেমন যোগব্যায়াম ও ধ্যান যুক্ত করুন। দ্য আর্ট অফ লিভিং হ্যাপিনেস প্রোগ্রামে যোগ, প্রাণায়াম, ধ্যান এবং আয়ুর্বেদের প্রাচীন জ্ঞানের একটি সুন্দর সমন্বয় পাওয়া যায়।
(ডা. শারিকা মেনন, আয়ুর্বেদ চিকিৎসক , দ্য আর্ট অব লিভিং-এর পরামর্শের ভিত্তিতে প্রস্তুত।)











